সহীহ বুখারীর ১০ টি বৈজ্ঞানিক হাদীসঃ১) নবীজি বলেন,”জ্বর আসে জাহান্নামের তাপ থেকে! সুতরাং,জ্বর কে পানি দ্বারা প্রশমিত কর! (সহীহ বুখারী,, খন্ড: ৭:অধ্যায় ৭১:হাদিস ৬২১).২)নবীজি বলেন,”যদি কারো পানিতে মাছি পড়ে যায়,তবে মাছিটিকে পানিতে চুবিয়ে তারপর পান কর!কারণ,মাছির এক ডানায় আছে রোগ,অন্য ডানায় আছে প্রতিকার! “(সহীহ বুখারী, 4:54:537).৩) নবীজি বলেন,কালোজিরা আস- সামস ব্যতিত সর্বরোগের ঔষধ! আয়েশা জিজ্ঞেস করেন,আস- সামস কি?নবীজি উত্তরে বলেন,মৃত্যু!(বুখারী৭:৭১:৫৯১)৪)নবীজি বলেন,”যারা রোপ্যপাত্রে পানি পান করে,তারা জাহান্নামের আগুন দ্বারা তাদের পেটপুর্ণ করে! (বুখারী 7:69:538)৫) নবীজি বলেন,”জাহান্নামের আগুণ আল্লাহর কাছে অভিযোগ করল,”হে আমার প্রতিপালক,আমার বিভিন্ন অংশ পরস্পরকেখেয়ে ফেলছে!সুতরাং,তিনি জাহান্নামকে দুইবার শ্বাস নেয়ার অনুমতি দিলেন,একটি শীতকালে (প্রশ্বাস),অন্যটি গ্রীষ্মকালে (নিঃশ্বাস)!এবং এটাই (গ্রীষ্মকলে) প্রখর গরম ও (শীতিকালে) তীব্র শীতের কারণ! (বুখারী 4:54:482)৬)নবীজি বলেন,”আল্লাহ হাচি পছন্দ করেন এবং হাই তোলা অপছন্দ করেন!(বুখারী 8:73:242)৭)নবীজি বলেন,”ভাল স্বপ্ন আসে আল্লাহ থেকে আর দুঃস্বপ্ন আসে শয়তান থেকে!কেউ যদি দুঃস্বপ্ন দেখে তার উচিত আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া ও বাম দিকে থুথু নিক্ষেপ করা,কারণ এতে দুঃস্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা। (বুখারী 9:87:115).৮)আব্দুল্লাহ বর্ণিত:এক লোক নবীজির কাছে এসে বলল,সে সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়েছে এবং নামায আদায় করতে পারেনি!!নবীজি বললেন:শয়তান তার কানে প্রস্রাব করে দিয়ে চলে গিয়েছে!(বুখারী 2:21:245).৯)নবীজি বলেন,”তোমরা সুর্যদ্বয় ও সুর্যাস্তের সময় নামায আদায় করোনা,কারণ সুর্য শয়তানের মাথার দুইপ্রান্তের মধ্যখানদিয়ে উদিত হয়(বুখারী৪:৫৪:৪৯৪) .১০) নবীজি বলেন,,”যে ব্যক্তি প্রতি সকালে ৭ টি আজওয়া খেজুর খায়,তার ওপর বিষ ও জাদু কোন প্রভাব ফেলতে পারেনা!(বুখারী ৭:৬৫:৩৫৬)

সহীহ বুখারীর ১০ টি বৈজ্ঞানিক হাদীসঃ
১) নবীজি বলেন,”জ্বর আসে জাহান্নামের তাপ থেকে! সুতরাং,জ্বর কে পানি দ্বারা প্রশমিত কর! (সহীহ বুখারী,, খন্ড: ৭:অধ্যায় ৭১:হাদিস ৬২১)
.
২)নবীজি বলেন,”যদি কারো পানিতে মাছি পড়ে যায়,তবে মাছিটিকে পানিতে চুবিয়ে তারপর পান কর!কারণ,মাছির এক ডানায় আছে রোগ,অন্য ডানায় আছে প্রতিকার! “(সহীহ বুখারী, 4:54:537)
.
৩) নবীজি বলেন,কালোজিরা আস- সামস ব্যতিত সর্বরোগের ঔষধ! আয়েশা জিজ্ঞেস করেন,আস- সামস কি?নবীজি উত্তরে বলেন,মৃত্যু!(বু
খারী৭:৭১:৫৯১)
৪)নবীজি বলেন,”যারা রোপ্যপাত্রে পানি পান করে,তারা জাহান্নামের আগুন দ্বারা তাদের পেটপুর্ণ করে! (বুখারী 7:69:538)
৫) নবীজি বলেন,”জাহান্নামের আগুণ আল্লাহর কাছে অভিযোগ করল,”হে আমার প্রতিপালক,আমার বিভিন্ন অংশ পরস্পরকে
খেয়ে ফেলছে!সুতরাং,তিনি জাহান্নামকে দুইবার শ্বাস নেয়ার অনুমতি দিলেন,একটি শীতকালে (প্রশ্বাস),অন্যটি গ্রীষ্মকালে (নিঃশ্বাস)!
এবং এটাই (গ্রীষ্মকলে) প্রখর গরম ও (শীতিকালে) তীব্র শীতের কারণ! (বুখারী 4:54:482)
৬)নবীজি বলেন,”আল্লাহ হাচি পছন্দ করেন এবং হাই তোলা অপছন্দ করেন!(বুখারী 8:73:242)
৭)নবীজি বলেন,”ভাল স্বপ্ন আসে আল্লাহ থেকে আর দুঃস্বপ্ন আসে শয়তান থেকে!কেউ যদি দুঃস্বপ্ন দেখে তার উচিত আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া ও বাম দিকে থুথু নিক্ষেপ করা,কারণ এতে দুঃস্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা। (বুখারী 9:87:115)
.
৮)আব্দুল্লাহ বর্ণিত:এক লোক নবীজির কাছে এসে বলল,সে সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়েছে এবং নামায আদায় করতে পারেনি!!নবীজি বললেন:শয়তান তার কানে প্রস্রাব করে দিয়ে চলে গিয়েছে!(বুখারী 2:21:245)
.
৯)নবীজি বলেন,”তোমরা সুর্যদ্বয় ও সুর্যাস্তের সময় নামায আদায় করোনা,কারণ সুর্য শয়তানের মাথার দুইপ্রান্তের মধ্যখান
দিয়ে উদিত হয়(বুখারী৪:৫৪:৪৯৪) .
১০) নবীজি বলেন,,”যে ব্যক্তি প্রতি সকালে ৭ টি আজওয়া খেজুর খায়,তার ওপর বিষ ও জাদু কোন প্রভাব ফেলতে পারেনা!(বুখারী ৭:৬৫:৩৫৬)

♦#প্রশ্নঃ মোহরের টাকা পরিশোধ না করে কি স্ত্রীকে স্পর্শ বা দর্শন করা যাবেনা?

বাসর রাত্রেই কি মোহরের সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করতে হয়?

স্বামী কি স্ত্রীর কাছে ঐ রাত্রেই দেন- মোহরের টাকা মাফ চাইতে পারবে?

স্ত্রী যদি মাফ করে দেন তাহলে ভবিষ্যতে কি পরিশোধ করতে হবে না?

বিয়ের সময় স্ত্রীকে যে অলংকার বা অন্যান্য জিনিস দেওয়া হয় তা সাধারনতঃ দেন- মোহরের টাকা থেকে কেটে রাখা হয়। এটা কি ঠিক?

#অনেকেই আট/দশ লক্ষ টাকা দেন-মোহর ধার্য করে থাকে,অথচ এক সময়ে এই টাকা পরিশোধ করা স্বামীর পক্ষে সম্ভব হয় না! তখন তার হুকুম কি? অনেক সময় বংশ মর্যাদার অনুযায়ী বড় অংকের মহরানা ধার্য করতে দেখা যায়। এটা কি ঠিক?

★★★#উত্তরঃ মহরানা স্ত্রীর প্রাপ্য একটা ঋণ বিশেষ! স্ত্রীর দেন-মোহর স্বামীর উপর অবশ্য পরিশোধ্য বিষয়। এটি ফরজ। এজন্য যতটুকু পরিমান স্বামীর পক্ষে পরিশোধ করা সম্ভব, সেই পরিমানই দেন- মোহর ধার্য করা কর্তব্য। না দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে মোটা অংকের দেন-মোহর ধার্য করে সম্পাদিত বিয়ে শুদ্ধ হয়না! দেন- মোহর একান্ত ভাবেই স্ত্রীর প্রাপ্য। স্ত্রী যদি ইচ্ছা করেন তবে তাকে স্পর্শ করার আগেই স্বামীকে তা আদায় করে দিতে বাধ্য করতে পারেন। যদি পরস্পরের সম্মতিক্রমে সময় নেওয়া হয়, তবে তা বৈধ হবে। অর্থাৎ বিলম্বেও পরিশোধ করা যাবে।

বাসর রাত্রে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীর নিকট দেন-মোহর মাফ চাওয়া নিতান্ত কাপুরুষচিত একটি প্রথা। নতুন বৌ লজ্জার খাতিরে হয়তো মাফ করে দিলাম বলে দেয়,কিন্তু যেহেতু সন্তুষ্টচিত্তে সেই ঋণ ক্ষমা করা হয়না, তাই এরুপ ক্ষমা চাওয়া অর্থহীন, লজ্জাজনক। বিয়ের মোহরানা সম্পর্কে কোরআন কি বলে ? তোমরা নারীগণকে তাদের মোহরানা বা একটা নির্দিষ্ট উপহার দিবে। যদি তারা সন্তুষ্টচিত্তে মোহরানার কিছু অংশ ছেড়ে দেয়, তোমরা তা স্বাচ্ছন্দে ভোগ করবে।-[সূরা নিসা – ৪]

পবিত্র কোরআন নারীর পারিবারিক অধিকার রক্ষার জন্য স্বেচ্ছায় ও সন্তুষ্টচিত্তে মোহরানা পরিশোধ করতে বিবাহিত পুরুষের প্রতি নির্দেশ দিয়েছে এবং এ ব্যাপারে সব ধরনের কঠোরতা ও কর্কশ আচরণ পরিহার করতে বলেছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ এও বলছেন , মোহরানা ফিরিয়ে নেয়া বা এর অংশবিশেষ ফিরিয়ে নেয়াও তোমাদের জন্য বৈধ নয়। যদি তারা অর্থাৎ স্ত্রীরা নিজেরাই খুশী মনে মোহরানার কিছু অংশ ফিরিয়ে দিতে চায়, তাহলে তা গ্রহণ করা যেতে পারে। এই আয়াতে উল্লেখিত নাহলেও শব্দটির অর্থ হলো, মৌচাকের মৌমাছি। মৌমাছি যেমন কোন স্বার্থের আশা না করেই মানুষকে মধু দেয়, সে রকম পুরুষেরও উচিত জীবনসঙ্গীকে দাম্পত্য জীবনের মধু হিসেবেই মোহরানা দেয়া। আর যা উপহার হিসেবে দেয়া হয়, তা ফিরে পাবার আশা করা কি অন্যায় নয় ? এই আয়াতের শিক্ষণীয় দিকগুলো হলো,

=>> প্রথমত : স্ত্রীর প্রাপ্য মোহরানা তার ক্রয় মূল্য নয়, বরং এটা স্ত্রীর প্রতি স্বামীর ভালবাসার নিদর্শন ও উপহার । কোরআনের আয়াতে মাহরানা শব্দটিকে বলা হয়েছে, যা সাদাক্কাত বা আন্তরিকতা শব্দ থেকে উদ্ভূত।

=>> দ্বিতীয়ত : মোহরানা স্ত্রীর অধিকার এবং স্ত্রী-ই এর মালিক। স্ত্রীকে মোহরানা দেয়া যেমন বন্ধ রাখা যায়না , তেমনি তা ফেরতও নেয়া যায় না।

=>>তৃতীয়ত : মোহরানা মাফ করার জন্য স্ত্রীর বাহ্যিক সন্তুষ্টি যথেষ্ট নয়। এজন্যে স্ত্রীর প্রকৃত বা আন্তরিক সন্তুষ্টি জরুরী।

মহানবী (সা:) বলেছেন, যে কোনও ব্যক্তি কোন মহিলাকে কম- বেশী “ মোহরের “ বিনিময়ে বিবাহ করছে, মনে মনে তার হক আদায় দেয়ার নিয়ত রাখেনি, তাকে ধোকাঁ দিয়েছে ,অতঃপর তার হক আদায় না করেই মারা গিয়েছে, সে ব্যক্তি কেয়ামতের দিন ব্যাভিচারী বা যেনাকার হয়ে আল্লাহর সংগে সাক্ষাৎ করবে।(ত্বাবারানী সঃ তারগীব ১৮০৭ নং)

♦প্রশ্নঃ–মাহারের কি পরিমান হওয়া ভাল?

উত্তরঃ-সাধারণভাবে মাহার কম ধার্য করাই মুস্তাহাব। রসূল(সাঃ)বলেন –
“ সে নারী বরকতের মাঝে আছে যাকে প্রস্তাব দেয়া সহজ ও যার মোহরানা অল্প” [ মুসনাদু আহমাদ; হাসান সানাদে]
তবে মাহার এর সর্বনিম্ন পরিমান সম্পর্কে ইমাম ইবনুল কায়্যিম(রহঃ) বলেন- “ কোন বস্তু, সেবা যার মূল্য আছে তাই মাহার হিসেবে ধার্য করা যেতে পারে” যেমন- সোনা,রূপা,টাকা-পয়সা, জমি জমা, ফলমূল ইত্যাদি। আর সেবার উদাহরণ হলঃ ভেড়া চরানো, সেচ দেয়া, ফল তোলা কুরআন শিক্ষা দেয়া ইত্যাদি। মাহারের সর্বাধিক পরিমাণের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট কোন সীমা নেই। এ ব্যাপারে সকল আলিম ঐক্যমত পোষণ করেছেন। [আল-মুগনী; খন্ড- ৬; পৃঃ ৬৮১]

আলিমগণ নিম্নোক্ত দালীলের ভিত্তিতে একমত হয়েছেন –

“ আর (স্ত্রীদের) একজনকে দিয়েছ স্তুপীকৃত সম্পদ।“ [নিসাঃ২০]
এই আয়াতে ﻗﻨﻄﺎﺭ শব্দটির একটি অর্থ হচ্ছে- ‘প্রচুর সম্পদ,সম্পদের স্তুপ’ [আল হাবী আল কাবীর; খন্ডঃ ১২ ; পৃঃ ৪] বিবাহের পর উভয় পক্ষের সম্মতিতে পূর্ব নির্ধারিত মাহারের হ্রাস-বৃদ্ধি উভয়ই জায়েয।[সূরা আন-নিসাঃ৭৮] জমহুর আলিমগণও এ ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন। [আল মুগনি; খন্ডঃ৬ ; পৃঃ ৭৪৩-৭৪

+++++++++++++++++++++++++++

“দেনমোহর অাদায় করা ফরজে অাইন!!!

বর্তমানে অাধুনিকতার নামে নোংরামি পদ্ধতিতে যে বিবাহ অনুষ্ঠানের অায়োজন করে দুনিয়াবী মান মর্যাদার দোহাই দিয়ে কোরআন-হাদীসের আদেশ নিষেধকে এড়িয়ে গিয়ে গুরুত্ব না দিয়ে (বর) পক্ষকে গরু কাটা করা হয় তা ইসলামে অাদৌ বৈধ বলে বিবেচিত হবে কিনা আসুন একটু জেনে নেই-

♣সুন্নতি তথা মহানবী সা : এর দেখানো নিয়ম পদ্ধতিতে বিয়ে হলে পাত্রের সাধ্যমত দেনমোহর নির্ধারণ করা উচিত।
কেননা অতিরিক্ত দেনমোহর চাপে পিষ্ট (বর) অবশেষে ব্যর্থ হয়ে বৌয়ের কাছেই ক্ষমা -মাফ চেয়ে নেয়!!!!
যা ইসলামী শরীয়তের সম্পূর্ন বিরোধী

♣দ্বীনের প্রতিটা কাজ মহান অাল্লাহ রাব্বুলঅালামিন সহজ করে দিয়েছেন।
তাই নিজের জামাতা কে ছোট করে “পাপী করে অন্যরা কি করলো কত মোটা অংক কসলো সেটা না দেখে ———–তারই সাধ্যের মধ্যে দেনমোহর নির্ধারন করুন!!!!

♦বিবাহ কে সহজ করে দিন অাল্লাহর হুকুম দুনিয়ার বুকে সুপ্রতিষ্ঠিত করুন।হাদীসে আছে,যেই বিয়েতে খরচ কম হয়,সেই বিয়েই বরকতময়।

আফসোস বর্তমান সমাজের দিকে তাকালে দেখা যায় যে জেনার বাজার হলো সস্তা আর বিয়ের বাজার হলো আকাশচুম্বি তাই অনেকেই বউ পালার সামর্থ্য অর্জন করলেও শুধু অযথা বিয়ের আকাশচুম্বি খরচের ভয়ে বিয়ে করতে দেরি করে।

উভয় পক্ষের অভিভাবকদের উচিত বিয়ের ক্ষেত্রে দ্বীনদ্বারিতাকে প্রাধান্য দিয়ে লৌকিকতা পরিহার করে সামর্থ্যনুযায়ী বিয়ের ব্যবস্থা করা।

কিয়ামতের দিনে গুনাগার হিসেবে নিজ জামাতা কে উপাস্থাপন করতে কতটুকু ভালো লাগবে অাপনার????
বিবেচনার ভার অাপনার বিবেক????

তবে কোরঅান হাদিসের বাইরে কখনোই কোন বিবাহ বৈধ হতেই পারে না।

এই চরম সত্য সকল মা বাবা ভাই ও বোন কে বোঝার তৌফিক দিক। আমিন।

আসসালামুআলাইকুম

👉#সত্য বললে গীবত হবেনা! যারা এমনটা ভাবেন লিখাটা তাদের জন্য……..

  • ‘থাক আর বলিস না! গীবত হয়ে যাচ্ছে!’
  • ‘আরে না, গীবত না। আমি কি মিথ্যা কিছু বলতেসি? সত্যি যা, তাই বলতেসি।’
    .
    ভাই!
    সত্য বলেই তা গীবত। মিথ্যে হলে তো দ্বিগুণ গুনাহ –
    ১. গীবত, ২. অপবাদ।

আসুন কিছু প্রশ্নোত্তরে জেনে নিই বিস্তারিত……

🔰গীবত (পরচর্চা) ও তহমত (অপবাদ)
▬▬▬▬●◈●▬▬▬▬

প্রশ্ন: গীবত করা তো আপন মৃত ভাইয়ের মাংস ভক্ষণ করার সমান। তাহলে ধরুন, কেউ কারোর নামে সমালোচনা করছে কিন্তু সেটা সত্য। অর্থাৎ যার নামে সমালোচনা করা হচ্ছে সত্যই তার মধ্যে সমস্যা আছে। তাহলেও কি গীবত বলে গণ্য হবে? কারণ তার নামে সত্যি কথাটাই বলা হচ্ছে; মিথ্যা বলা হয় নি।

উত্তর:

কারো মধ্যে যদি বাস্তবেই কোন দোষ-ত্রুটি থাকে আর তা যদি তার অসাক্ষাতে সমালোচনা করা হয় তাহলে এটাই প্রকৃত গীবত (পরচর্চা)। এটাই মৃত ভায়ের গোস্ত খাওয়ার সমতুল্য এবং কবিরা গুনাহ। কিন্তু যদি তার মধ্যে কোন দোষ না থাকে তারপরও অন্যায়ভাবে তার দোষ চর্চা করা হয় তাহলে এটাকে তহমত বা অপবাদ বলা হয়। গীবতের চেয়ে অপবাদ দেয়া আরও বড় অন্যায়। কারণ, এতে এক সাথে অনেকগুলো অন্যায় সংঘটিত হয়। যেমন, অপবাদ, মিথ্যা, সম্মানহানি ও জুলুম।

গীবত (পরচর্চা) ও তহমত (অপবাদ) এর সংজ্ঞা সম্পর্কে নিম্নোক্ত হাদিসটি পড়ুন:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «أَتَدْرُونَ مَا الْغِيبَةُ؟» قَالُوا: اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ، قَالَ: ذِكْرُكَ أَخَاكَ بِمَا يَكْرَهُ قِيلَ أَفَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ فِي أَخِي مَا أَقُولُ؟ قَالَ: إِنْ كَانَ فِيهِ مَا تَقُولُ، فَقَدِ اغْتَبْتَهُ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِيهِ فَقَدْ بَهَتَّهُ

আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম বলেছেন: তোমরা কি জান, গীবত কি? তাঁরা বললেন: আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন:
“গীবত হল তোমার ভাইয়ের সম্পর্কে এমন কিছু আলোচনা করা, যা সে অপছন্দ করে।”

#প্রশ্ন করা হল: আমি যা বলেছি তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে থেকে থাকে, তাহলে আপনি কি বলেন?

তিনি বললেন: “তুমি তার সম্পর্কে যা বলেছ তা যদি তার মধ্যে থাকে, তাহলেই তুমি তার গীবত করলে। আর যদি তা তার মধ্যে না থাকে, তাহলে তো তুমি তার প্রতি অপবাদ আরোপ করলে।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং-২৫৮৯)

🔰গীবত এর সংজ্ঞা, ভয়াবহতা এবং যে সব ক্ষেত্রে গীবত বৈধ
▪▪▪▪▪▪▪▪

প্রশ্ন: গীবত সম্পর্কে একটু বিস্তারিত জানতে চাই। কেউ যদি আমার মনে কষ্ট দেয় তার সে আচরণের কথা যদি আমি ৩য় কাউকে বলি তবে কি এটা গীবত হবে-এই হিসেবে যে এ কথা তার সামনে বললে সে মনে কষ্ট পেত?

উওরঃ গীবত এর সঙ্গা, ভয়াবহতা এবং কোন কোন ক্ষেত্রে গীবত করা বৈধ?

গীবতএরসংজ্ঞাঃ

গীবত শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে, অনুপস্থিত কারো, পরচর্চা করা, পরনিন্দা করা, কুৎসা রটনা করা, পিছে সমালোচনা করা ইত্যাদি।

◼ পরিভাষায় গীবত বলা হয় ‘তোমার কোনও ভাইয়ের পেছনে তার এমন দোষের কথা উল্লেখ করা যা সে গোপন রেখেছে অথবা যার উল্লেখ সে অপছন্দ করে।’ (মু’জামুল ওয়াসিত)

◼ গীবতের সবচেয়ে উত্তম ও বাস্তবসম্মত সংজ্ঞা দিয়েছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা নিম্নোক্ত হাদিসে :

সাহাবি আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, গীবত কাকে বলে, তোমরা জান কি? সাহাবিগণ বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -ই ভালো জানেন। তিনি বললেন, তোমার কোনও ভাই (দ্বীনি) সম্পর্কে এমন কথা বলা, যা সে অপছন্দ করে, তা-ই গীবত। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি যে দোষের কথা বলি তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে তাহলেও কি গীবত হবে? উত্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি যে দোষের কথা বল, তা যদি তোমার ভাইয়ের থাকে তবে তুমি অবশ্যই তার গীবত করলে আর তুমি যা বলছ তা যদি তার মধ্যে না থাকে তবে তুমি তার ওপর মিথ্যা অপবাদ দিয়েছ। (মুসলিম)

সুতরাং এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, কোনও ভাইয়ের এমন দোষের কথা বলা গীবত যা সে অপছন্দ করে।

অত:এব কেউ যদি আপনাকে কষ্ট দেয় আর আপনি তা যদি এমন ব্যক্তির সামনে পেশ করেন, যে তার বিচার করবে বা এ বিষয়ে দুজনের মধ্যে সমাধান করবে বা এ ব্যাপারে আপনাকে সাহায্য করবে তাহলে তা গীবতের পর্যায়ে পড়বে না। অন্যথায় গীবত হিসেবে পরিগণিত হবে।

🎯#গীবতের_ভয়াবহতা:

▪ গীবত বা অসাক্ষাতে মানুষের দোষত্রুটি নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ সূরা হুজরাতের ১২ নম্বর আয়াতে বলেন,

وَلَا يَغْتَبْ بَعْضُكُمْ بَعْضًا أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ

‘আর তোমরা কেউ কারো গীবত করো না, তোমরা কি কেউ আপন মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া পছন্দ করবে? একে তোমরা অবশ্যই ঘৃণা করবে।, (সূরা হুজুরাত:১২)

সুস্থ, স্বাধীন কোনও বিবেকবান মানুষই জ্ঞান অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত মৃত মানুষ তো দূরের কথা, যে পশু জীবিত থাকলে হালাল সেই পশু মৃত হলে তার গোশতও ভক্ষণ করবে না। অথচ মানুষ সুস্থ মস্তিষ্কে, স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে গীবতের মতো জঘন্য ফেতনায় নিমজ্জিত হয়।

▪ গীবত সামাজিক বন্ধন ছিন্নভিন্ন করে দেয়। মানুষের মাঝ থেকে ভালবাসা, বন্ধুত্ব ও সুসম্পর্ক নষ্ট হয়। শুরু হয় মানুষে মানুষে অবিশ্বাস, আস্থাহীনতা এবং সকল ক্ষেত্রে চরম বিশৃংখলা। এটি একটি সামাজিক ক্যান্সারের মত। সমাজ দেহে কোন এক স্থানে এর সূচনা হলে আস্তে আস্তে তা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
বর্তমানে আমাদের সমাজে এহেন বিশৃংখ অবস্থা বিরজমান হওয়ার জন্য এই অপরাধটি অন্যতম কারণ।
তাই গীবতের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা জরুরি।

যেসকলক্ষেত্রেঅসাক্ষাতেকোরওদোষত্রুটিআলোচনাকরাগীবতেরঅন্তর্ভুক্ত_নয়:

ইমাম নববী (রহ:) বলেন, ”সৎ ও শরীয়ত সম্মত উদ্দেশ্য সাধন যদি গীবত ছাড়া সম্ভব না হয়, তাহলে এক্ষেত্রে গীবত জায়েয।” তার মতে ছয় ধরণের গীবত জায়েয। যথা:⤵️⤵️

☑ ১. মজলুম ব্যক্তি জালেমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পারে।

☑ ২. ত্রুটি সংশোধনের জন্য কোন ব্যক্তির দোষ এমন ব্যক্তির কাছে বলা, যে তা সংশোধন করার ক্ষমতা রাখে।

☑ ৩. মুফতির নিকট মাসয়ালা জানতে গিয়ে প্রয়োজনে কোন ব্যক্তির (সম্ভব হলে নাম উল্লেখ না করে) ত্রুটি বলা যায়।

☑ ৪. কোন ব্যক্তি কারো সাথে বিয়ে বা ব্যবসায়ের সম্পর্ক করতে চাইলে এবং তার সম্পর্কে অন্য ব্যক্তির সাথে পরামর্শ চাইলে তার দোষ-গুণ স্পষ্টভাবে বলে দেবে যা সে জানে (মনে হিংসা-বিদ্বেষ না রেখে)।

☑ ৫. যে সব লোক সমাজে প্রকাশ্যে পাপ কাজ, বিদআত বা গোমরাহির প্রসার ঘটাচ্ছে, তাদের দোষ-ত্রুটির তীব্র সমালোচনা জায়েয।

☑ ৬. চেনার উদ্দেশ্যে কাউকে ছদ্মনাম বা খারাপ উপনামে ডাকা জায়েয (তাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে নয়)।
(আল্লামা ইমাম নববী রচিত মুসলিম শরীফের ব্যাখ্যা গ্রন্থ)
▪▪▪▪▪▪▪
উত্তরদাতা:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীলল
জুবাইল, দাওয়াহ সেন্টার, সৌদি আরব

“গীবত এমন একটি কবিরা গুনাহ; ছালাত, সাদক্বা, সিয়াম ও হজ্ব যা মার্জনা করতে পারে না।”
(ইবনু উসাইমীন,শারহু রিয়াদুস সালিহীন, ৬/১০৯)

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে গীবত-পরচর্চা, মিথ্যারোপ, অপবাদ ইত্যাদি ধ্বংসাত্মক অন্যায় থেকে হেফাজত করুন। আমিন,,,,,,,

আসসালামুআলাইকুম

আসসালামুআলাইকুম ওরহমাতুল্লাহি ওবারাকাতুহ

👉 ‘লাইলাতুল ক্বদর’ (ক্বদরের রাত) চেনার কিছু আলামত-
.
১. রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না।
২. নাতিশীতোষ্ণ হবে। অর্থাৎ গরম বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।
৩. মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হতে থাকবে।
৪. সে রাতে ইবাদত করে মানুষ অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে।
৫. ঐ রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
৬. সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যোদয় হবে। যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মত।
.
(তথ্যসূত্র- সহীহ বুখারী : ২০২১,সহীহ মুসলিম : ৭৬২,সহীহ ইবনে খুযাইমা : ২১৯০)।

👉 লাইলাতুল্ কদর’ এ কি কি ইবাদত করবেন ?

আলহামদুলিল্লাহ, ওয়াস্ স্বালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিল্লাহ, আম্মা বাদঃ

অনেক দ্বীনী ভাই আছেন যারা সহীহ নিয়মে লাইলাতুল কদরে ইবাদত করতে ইচ্ছুক। তাই তারা প্রশ্ন করে থাকেন যে, লাইলাতুল কদরে আমরা কি কি ইবাদত করতে পারি? এই রকম ভাই এবং সকল মুসলিম ভাইদের জ্ঞাতার্থে সংক্ষিপ্তাকারে কিছু উল্লেখ করা হল। [ওয়ামা তাওফীকী ইল্লা বিল্লাহ]

প্রথমতঃ আল্লাহ তাআ’লা আমাদের বলে দিয়েছেন যে, এই রাত এক হাজার মাসের থেকেও উত্তম। অর্থাৎ এই এক রাতের ইবাদত এক হাজার মাসের থেকেও উত্তম। [আল্ মিসবাহ আল্ মুনীর/১৫২১]
তাই এই রাতটি ইবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করাই হবে আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

দ্বিতীয়তঃ জানা দরকার যে ইবাদত কাকে বলে? ইবাদত হচ্ছে, প্রত্যেক এমন আন্তরিক ও বাহ্যিক কথা ও কাজ যা, আল্লাহ পছন্দ করেন এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকেন। [মাজমুউ ফাতাওয়া,১০/১৪৯]

উক্ত সংজ্ঞার আলোকে বলা যেতে পারে যে ইবাদত বিশেষ এক-দুটি কাজে সীমাবদ্ধ নয়। তাই আমরা একাধিক ইবাদতের মাধ্যমে এই রাতটি অতিবাহিত করতে পারি। নিম্নে কিছু উৎকৃষ্ট ইবাদত উল্লেখ করা হলঃ

১- ফরয নামায সমূহ ঠিক সময়ে জামাআ’তের সাথে আদায় করা।
যেমন মাগরিব, ইশা এবং ফজরের নামায। তার সাথে সাথে সুন্নতে মুআক্কাদা, তাহিয়্যাতুল মসজিদ সহ অন্যান্য মাসনূন নামায আদায় করা।

২- কিয়ামে লাইলাতুল্ কদর করা।
অর্থাৎ রাতে তারবীহর নামায আদায় করা। নবী (সাঃ) বলেনঃ
“যে ব্যক্তি ঈমান ও নেকীর আশায় লাইলাতুল কদরে কিয়াম করবে (নামায পড়বে) তার বিগত গুনাহ ক্ষমা করা হবে”। [ফাতহুল বারী,৪/২৯৪]
এই নামায জামাআতের সাথে আদায় করা উত্তম। অন্যান্য রাতের তুলনায় এই রাতে ইমাম দীর্ঘ কিরাআতের মাধ্যমে নামায সম্পাদন করতে পারেন। ইশার পর প্রথম রাতে কিছু নামায পড়ে বাকী নামায শেষ রাতে পড়াতে পারেন। একা একা নামায আদায়কারী হলে সে তার ইচ্ছানুযায়ী দীর্ঘক্ষণ ধরে নামায পড়তে পারে।

৩- বেশী বেশী দুআ করা।
তন্মধ্যে সেই দুআটি বেশী বেশী পাঠ করা যা নবী (সাঃ) মা আয়েশা (রাযিঃ) কে শিখিয়েছিলেন।
মা আয়েশা নবী (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি লাইলাতুল কদর লাভ করি, তাহলে কি দুআ করবো? তিনি (সাঃ) বলেনঃ বলবে, (আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল্ আফওয়া ফা’ফু আন্নী”। [আহমদ,৬/১৮২] অর্থ, হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল। ক্ষমা পছন্দ কর, তাই আমাকে ক্ষমা কর”।

এছাড়া বান্দা পছন্দ মত দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণকর যাবতীয় দুআ করবে। সে গুলো প্রমাণিত আরবী ভাষায় দুআ হোক কিংবা নিজ ভাষায় হোক। এ ক্ষেত্রে ইবাদতকারী একটি সুন্দর সহীহ দুআ সংকলিত দুআর বইয়ের সাহায্য নিতে পারে। সালাফে সালেহীনদের অনেকে এই রাতে অন্যান্য ইবাদতের চেয়ে দুআ করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। কারণ এতে বান্দার মুক্ষাপেক্ষীতা, প্রয়োজনীয়তা ও বিনম্রতা প্রকাশ পায়, যা আল্লাহ পছন্দ করেন।

৪- যিকর আযকার ও তাসবীহ তাহলীল করা।
অবশ্য এগুলো দুআরই অংশ বিশেষ। কিন্তু বিশেষ করে সেই শব্দ ও বাক্য সমূহকে যিকর বলে, যার মাধ্যমে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করা হয়। যেমন, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”, “আল্ হামদু ল্লিল্লাহ” “সুবহানাল্লাহ”, “আল্লাহুআকবার” “আস্তাগফিরুল্লাহ”, “লা হাওলা ওয়ালা কুউআতা ইল্লা বিল্লাহ”। ইত্যাদি।

৫- কুরআন তিলাওয়াত।
কুরআন পাঠ একটি বাচনিক ইবাদত, যা দীর্ঘ সময় ধরে করা যেতে পারে। যার এক একটি অক্ষর পাঠে রয়েছে এক একটি নেকী। নবী (সাঃ) বলেনঃ
“যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি অক্ষর পড়বে, সে তার বিনিময়ে একটি নেকী পাবে… আমি একথা বলছি না যে, আলিফ,লাম ও মীম একটি অক্ষর; বরং আলিফ একটি অক্ষর লাম একটি অক্ষর এবং মীম একটি অক্ষর”। [তিরমিযী, তিনি বর্ণনাটিকে হাসান সহীহ বলেন]

এছাড়া কুরআন যদি কিয়ামত দিবসে আপনার সুপারিশকারী হয়, তাহলে কতই না সৌভাগ্যের বিষয়! নবী (সাঃ) বলেনঃ
“তোমরা কুরআন পড়; কারণ সে কিয়ামত দিবসে পাঠকারীর জন্য সুপারিশকারী হিসাবে আগমন করবে”। [মুসলিম]

৬- সাধ্যমত আল্লাহর রাস্তায় কিছু দান-সাদকা করা।
নবী (সাঃ) বলেনঃ
“সাদাকা পাপকে মুছে দেয়, যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়”। [সহীহুত তারগবি]

শবে কদরের একটি রাতে এই রকম ইবাদতের মাধ্যমে আপনি ৮৩ বছর ৪ মাসের সমান সওয়াব অর্জন করতে পারেন। ইবাদতের এই সুবর্ণ সুযোগ যেন হাত ছাড়া না হয়। আল্লাহ আমাদের তাওফীক দিন। আমীন!

উল্লেখ থাকে যে, ইবাদতের উদ্দেশ্যে বৈষয়িক কাজ-কর্মও ইবাদতে পরিণত হয়। যেমন রোযার উদ্দেশ্যে সাহরী খাওয়া, রাত জাগার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ-কর্ম সেরে নেওয়া। তাই লাইলাতুল কদরে ইবাদতের উদ্দেশ্যে বান্দা যেসব দুনিয়াবী কাজ করে সেগুলোও ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত।

আশা করি আপনাদের বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত কিছু আইডিয়া দিতে পেরেছি। ওয়ামা তাওফীক ইল্লা বিল্লাহ্।

👉 একাকিত্ব থেকেই গুনাহের প্রতি আকৃষ্টতা বাড়ে। নিরিবিলিতে নিজের নফস হয়ে ওঠে শক্তিশালী!
প্রত্যেক মুমিনের উচিত নিজেকে ব্যস্ত রাখা,আখিরাতের কাজে..

—নিজেকে তৈরি করো রোজার মতো তাহলে মৃত্যু টা হবে ইদের মতো—–