((ইসলামে একে অপরের সাথে বন্ধুত্বের উদ্দেশ্য ও সীমারেখা কতটুকু হবে))!!!
*********************************************************
বন্ধুত্বের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হ’ল দুনিয়াবী কল্যাণ ও আখেরাতে মুক্তি লাভ। সেকারণ আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভই হবে বন্ধুত্ব ও শত্রুতার প্রকৃত মানদন্ড।
এতে দুনিয়াবী স্বার্থ ক্ষুণ্ন হলেও তা বরদাশত করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন……
বন্ধুত্ব হবে আল্লাহর জন্য, বিদ্বেষও হবে আল্লাহর জন্য।
(মিশকাত হাদীস/৫০১৪)

তবে বন্ধুত্ব ও শত্রুতার ১টা সীমারেখা থাকবে, যেখানে কোনরুপ অতিরঞ্জন বা বাড়াবাড়ি থাকবে না। এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন…..
বন্ধুর সাথে স্বাভাবিক বন্ধুত্ব রাখ (বাড়াবাড়ি কর না),
হতে পারে সে একদিন তোমার শত্রু হয়ে যাবে।
অনুরুপভাবে শত্রুর সাথে স্বাভাবিক শত্রুতা রাখ (আধিক্য দেখিয়ো না),
হতে পারে সে একদিন তোমার বন্ধু হয়ে যাবে।
(সহীহ তিরমিযী হা/১৬২৫ সত কাজ ও সদাচরণ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ ৫৯, সহীহ আদাবুল মুফরাদ হা/১৩২১)
(মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৭৯০, যাকাত অধ্যায়)

অর্থাত আমরা বুঝতে পারি যে বন্ধু হচ্ছে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের একটি মাধ্যম এবং অকল্যাণের মাধ্যম। যতটুকু সদাচরণ ও ইশ্বার্ণিত হলে আমরা দুনিয়াতে বন্ধু ও শত্রু নির্বচন করতে পারি ততটুকুই যেনো আমাদের মধ্যে থাকে।
আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে সঠিক বুঝ দান করুন ।
আমীন।।।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: